এতে সব ধরনের চালের দাম কমেছে প্রতি কেজিতে ৪-৬ টাকা। সরবরাহ এমন থাকলে চালের দাম বাড়ার সম্ভাবনা নেই বলে জানান ব্যবসায়ীরা।
গতকাল হিলির বাজারে সরজমিনে দেখা যায়, স্বর্ণা জাতের চাল ৪৮ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে, যা এক সপ্তাহ আগে ছিল ৫২ টাকা। ঊনত্রিশ জাতের চাল ৫০ টাকায় বিক্রি হলেও এখন তা কমে ৪৬ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া মিনিকেট জাতের চালের দাম কেজিতে ৭০ থেকে কমে ৬৪ টাকা হয়েছে।
হিলি বাজারের চাল বিক্রেতা অনুপ বসাক বলেন, ‘মিল মালিকদের কারসাজির কারণে বোরোর ভরা মৌসুমেও চালের দাম বেড়েছিল। তারা বাজারে চাল সরবরাহ কমিয়ে কৃত্রিম সংকট তৈরি করেছিলেন। কিন্তু সরকার ভারত থেকে চাল আমদানির অনুমতি দিতে যাচ্ছে, এমন খবর ছড়িয়ে পড়ায় মিলাররা লোকসানের ভয়ে গুদামজাত করা চাল বাজারে ছাড়তে শুরু করেছেন। বাজারে সরবরাহ বাড়ায় আমরাও কম দামে চাল কিনতে ও বিক্রি করতে পারছি।’
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর দিনাজপুরের সহকারী পরিচালক বোরহান উদ্দিন বণিক বার্তাকে বলেন, ‘নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে আমরা নিয়মিত বাজার মনিটরিং করছি। কেউ যাতে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে কোনো পণ্যের দাম বাড়াতে না পারে সেদিকে লক্ষ রাখা হচ্ছে। কারো বিরুদ্ধে বাড়তি দামে পণ্য বিক্রির অভিযোগ প্রমাণিত হলে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। তাছাড়া জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’